
চিন্ময়কৃষ্ণকে জেলে বন্দি করে রাখার প্রতিবাদে কলকাতার অ্যালবার্ট রোডে ইসকনের সদর দফতরের কীর্তন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভক্তরা।
চিন্ময়কৃষ্ণর মুক্তির দাবি, সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে কীর্তনের মাধ্যমে। পাশাপাশি সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ-র মুক্তির দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। এদিকে ইসকনের সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে জেলাতেও। উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্রই একই ছবি। রায়গঞ্জ, রামপুরহাট থেকে নদিয়ার চাকদায় চিন্ময়কৃষ্ণ-র নিশর্ত মুক্তির দাবি উঠেছে মিছিল থেকে।বাংলাদেশ র্যাডিক্যাল কান্ট্রিতে পরিণত হওয়ার দিকে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ইস্যুতে এমনই মত সুকান্ত মজুমদারের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর কথায় বাংলাদেশে অন্য ধর্মালম্বিরা আর বসবাস করতে পারবে না সেরকম পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।
তাঁর হুঁশিয়ারি যেভাবে সেদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে, ধর্মগুরুরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তার ফল খুব খারাপ হবে। ইতিহাস তো সেই কথা বলে। সুকান্ত মজুমদার আরও বলেছেন আন্তর্জাতিক চাপের কথা মাথায় রেখেই বাংলাদেশে ইসকনকে এখনও নিষিদ্ধ করা হয়নি।







