
অভিযুক্ত মিহিরকে থামানোর চেষ্টা করেও পারেননি। বিএমডব্লিউকাণ্ডে কাবেরীদেবীর মৃত্যুর পরে এমনই হতাশা ঝড়ে পড়েছে স্বামী প্রদীপ লীলাধরের গলায়।
তাঁর অভিযোগ, গাড়িটির বনেটে হাত দিয়ে গাড়িটিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু অভিযুক্ত মিহির সেই কথা মানেনি। জানা গিয়েছে, প্রথমবার ধাক্কা মেরে দেড় কিলোমিটার ওই মহিলাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছিল গাড়িটি। ফের পিছিয়ে এসে দ্বিতীয়বার চাপা দিয়েছিল। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, মৃতাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় আধ কিলোমিটার দৌড়েওছিলেন। দ্বিতীয়বার চাপা না দিলে হয়তো কাবেরী দেবীকে বাঁচানো যেত। সবাই সবকিছু জেনেও কিছু করছে না। প্রশাসন গরিবদের জন্য নয়। জানা গিয়েছে, গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে ওই সময় ছিলেন অভিযুক্ত। ধাক্কা মারার পর তিনি স্টিয়ারিং ছেড়ে চালকের পাশের আসনে গিয়ে বসেছিলেন। এরপর চালক গাড়িটিকে কিছুটা পিছনে নিয়ে গিয়ে আবার মহিলাকে পিষে দেয়। পর পর দু’বার চাকা চলে যায় মহিলার শরীরের উপর দিয়ে এর পর গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যায়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত মিহির শাহর বাবাকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সোমবার তাঁর জামিন হয়ে গিয়েছে।
