
আগরতলা থেকে ট্রেনে ওঠার পড়েও অভিশপ্ত ট্রেনের যাত্রীরা বুঝতেই পারেননি এটাই হবে শেষযাত্রা। সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ দার্জিলিংয়ের রাঙাপানি স্টেশন পেরোতেই নিজবাড়ি ও চটেরহাট স্টেশনের মাঝে ফাঁসিদেওয়ায় নিমলজোত এলাকায় ট্রেনের পিছনে মালগাড়ি ধাক্কা মারে। যাত্রী বোঝাই ট্রেনের দুটি কামরা উল্টে যায়।
এরপরে যত সময় বেড়েছে ততই বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। মালগাড়ির চালক, সহকারী চালকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ডেরও। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় রেলওয়ে মেল সার্ভিসের আরএমএস-র এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শঙ্করমোহন দাস নামের ওই কর্মী কলকাতার বেলেঘাটার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। কর্তব্যরত অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। যারা বেঁচে গিয়েছেন তাঁদের অভিজ্ঞতাও ভয়ানক। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনের যাত্রীরা জানিয়েছেন হঠাৎ করেই ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। এরপর চিৎকার, আর সব অন্ধকার। প্রাণ বাঁচাতে যে যেমন পেরেছে ট্রেন থেকে বেরোনোর চেষ্টা করেছে। উদ্ধারকারী দল আসা না পর্যন্ত কেউ কেউ আবার দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া কামড়াতে আটকে ছিলেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনের যাত্রীদের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছে দিতে বাসের বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।








