
অসমে বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র। সোমবার বন কর্তৃপক্ষের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের একাংশ ও ৪৬টি নজরদারি শিবির এখনও জলের তলায়।বন্যায় ১৯৮টি বন্যপ্রাণের মৃত্যু হয়েছে।
এরমধ্যে রয়েছে ১০টি একশৃঙ্গ গণ্ডার, ১৭৯টি বরা বা প্যারা হরিণ, বারশিঙ্গা হরিণ, একটি ম্যাকাও, ২টি অন্য পাখি, একটি পেঁচা এবং ২টি সম্বর হরিণ।বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, ২টি বরা হরিণের মৃত্যু জলে ডুবে হয়নি। তারা বাঁচার জন্য জঙ্গলঘেঁষা জাতীয় সড়ক পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছে। বন্যার সময় পুলিশ কাজিরাঙার পাশ দিয়ে সমস্ত রাস্তায় গাড়ি চলাচলের গতি বেঁধে দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, অসমে বন্যায় গত ৮ বছরে ৮৫টি গণ্ডারের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৭ সালে সর্বাধিক ২৪টি গণ্ডারের মৃত্যু হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার জলে ভেসে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে ১৪৩টি বন্যপ্রাণকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১২৩টিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।২টি গণ্ডার সহ ৬টি পশুর চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয়। ১০টি বরা হরিণসহ ১৪টি হরিণও চিকিৎসা শিবিরে মারা যায়।
