
আগামী বছরই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল আর জি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার। এমনটাই বলছেন পরিবারের সদস্যরা। পাত্রও ডাক্তার। কিন্তু সেই দিন আর দেখা হল না বলে আবেগ ধরে রাখতে পারছেন না বাবা-মা।
এতগুলো বছর ধরে শুধু মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবেছেন বাবা-মা। স্কুলে মেধাবী ছাত্রী হওয়ায় ডাক্তারি পড়ার সুযোগও পেয়ে গিয়েছিলেন সোদপুর নাটাগড়ের ওই ছাত্রী। এমবিবিএস পাস করার পর চেস্ট মেডিসিনে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করছিলেন। কিন্তু তারমধ্যেই ঘটে গেল অঘটন। এমন ঘটনা যাতে আরও কারও সঙ্গে না ঘটে তারজন্য দোষীর ফাঁসির সাজা চাইছেন পরিবারের লোকজন।
