
যারা জেরে চরম সমস্যায় সাধারণ মানুষ। ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে সরব হয়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। শনিবার সকালেও হাসপাতাল চত্বর রয়েছে থমথমে। ছেঁড়া হেডফোনের সূত্র ধরে সঞ্জয় নামে এক নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করা হলেও কর্মবিরতি ওঠাননি জুনিয়র চিকিত্সকরা। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে জুনিয়র চিকিত্সকদের পাশে দাঁড়িয়েছে দিল্লির এইমস। হাসপাতালে মহিলা চিকিত্সকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। কীভাবে একজন বহিরাগত হাসাপাতালে ঢুকে এই নৃশংস কাজ করতে পারে, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। হাসপাতালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, এই ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিজেপির অভিযোগ, কমিটিতে তৃণমূল নেতাদের রাখা হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, পার্ক স্ট্রিট, হাঁসখালী, কামদুনির মতো ছোট, তুচ্ছ ঘটনায় মৃতা নির্যাতিতাদের তালিকায় সংযুক্ত হয়েছে আরও একটি নাম। অনেক স্বপ্ন নিয়ে মেডিকেল পড়তে এসে হাসপাতাল ক্যাম্পাসেই পৈশাচিক কায়দায় দীর্ঘ নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে আরও একটি বাংলার মেয়ে।









