আলাঘর ঘিরে গ্রেফতার সাদ্দামকে, সিপিএম নেতাও

0
248
saddam arrested 1
saddam arrested 1

ভেড়ির আলাঘরে লুকিয়ে থেকেও শেষ পক্ষা হল না কুলতুলিকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত সাদ্দাম সর্দারের। মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে কুলতলি থানার পুলিশের গভীর রাতে অপারেশনে গ্রেফতার করা হয়েছে নকল সোনা কারবারি সাদ্দাম সর্দারাকে।

সাদ্দামকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে সিপিএম নেতা মান্নান খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মান্নান খান চুপড়িঝাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএমের অঞ্চল কমিটির সদস্য, এমনটাই দাবি তৃণমূলের। মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে বুধবার গভীর রাতে কুলতলির ঝপড়িঝাড়ার বানীরধল এলাকায় মাছের ভেড়িতে হানা দেয় কুলতলি থানার পুলিশ। ঠাকুরান নদীর কাছে জনহীন এলাকায় ২ দলে ভাগ হয়ে হানা দেয় পুলিশ। একদল জলপথে অন্যদল আলপথ ধরে ভেড়ির আলাঘর ঘিরে ফেলে। সেখান থেকেই সাদ্দামকে ২ দিন লুকিয়ে থাকার পর হাতেনাতে ধরে পুলিশ। আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় মান্নান খানকেও। যদিও এখনও অধরা সাদ্দামের ভাই সাইরুল। সাদ্দামের বিরুদ্ধে যে প্রতারণাচক্র চালানোর অভিযোগ উঠেছে, তাতে মান্নাও যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়ে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। কুলতলির জালাবেড়িয়ার পয়তারহাটের বাসিন্দা সাদ্দামের বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই নকল সোনা কারবার চালাচ্ছিলেন। নদিয়ার এক বাসিন্দার ১২ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে পয়তারহাটে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে সাদ্দামকে গ্রেফতারও করেছিল পুলিশ। কিন্তু সেই সময় পুলিশের ওপর হামলা চালায় সাদ্দামের গ্যাং। সাদ্দামের ভাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই সুযোগে পালিয়ে যায় সাদ্দাম ও তার ভাই। তবে সাদ্দামের স্ত্রী রাবেয়া সর্দার, আরও এক মহিলা মাসুদা সর্দারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তে নেমে সাদ্দামের ঘরের নিচে সুড়ঙ্গের হদিশ পায় পুলিশ।