
সামরিক ক্যাম্প লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর।
আজ শনিবার এক বিবৃতিতে তেহরান, খুজেস্তান এবং ইলাম প্রদেশে হামলার কথা ক্যাম্প ইরান। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর চালানো হামলায় ইরানের অন্তত দু’জন সেনা নিহত হয়েছেন। উল্লেখ্য ইসরায়েলে ইরানের হামলার এক মাস যেতে না যেতেই শনিবার রাতে ইরানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইরান-ইসরায়েলের এই হামলা-পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে পুরোমাত্রার যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরপরেই এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে এবং এই প্রতিকূল পদক্ষেপের মোকাবেলা করেছে, যদিও সীমিত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, হামলার পর সব গন্তব্যে বিমান চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছিল ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এরপর রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ইরাক তার আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে এবং ফ্লাইট পুনরায় চালু করার ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এমিরেটস এয়ারলাইনস, ফ্লাইদুবাই ইরান, জর্দান, ইরাক এবং ইসরায়েলে ফ্লাইট বাতিল করেছে। এদিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ,আইআরজিসি জানিয়েছে, তেহরানে আইআরজিসির সামরিক ক্যাম্পকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।দেশের ২০টি জায়গায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলার দাবিটি সঠিক নয় এবং শত্রুর লক্ষ্যবস্তুর সংখ্যা এই সংখ্যার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৪০টি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় বলে ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবরে বলা হয়েছিল। বলা হয়েছে,ইসরায়েলি হামলা দেশের সীমানার বাইরে থেকে করা হয়েছিল এবং সীমিতই ক্ষতি হয়েছে।








