
কেরলের ওয়ানাডে প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে উদ্ধারকাজ চালাতে কেন্দ্রের কাছে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি চেয়ে পাঠাচ্ছে সেনাবাহিনী।
তার মধ্যে রয়েছে এনটিআরও-র রেকো রেসকিউ সিস্টেম এবং রিমোট সেন্সিং ইকুইপমেন্ট। ওয়ানাড সহ সমগ্র কেরলে এখনও অঝোরে বৃষ্টি পড়েই চলেছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে কোঝিকোড়, ওয়ানাড, কান্নুর ও কাসারগোড়ে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃষ্টির জন্য মুন্ডাক্কাইয়ে আপাতত উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। কেননা কয়েকশো বর্গকিমি এলাকায় কাদামাটির নীচে এখনও বহু মানুষ রয়ে গিয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রেকো রেসকিউ সিস্টেম দিয়ে খোঁজ চালাতে চাইছে সেনাবাহিনী। এদিকে কেরলের ওয়েনাডে বিধ্বংসী ভূমিধসে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার জঙ্গলঘেরা গোটা চারেক গ্রাম কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। উপগ্রহে চিত্রে ভয়াবহতার যে ছবি সামনে এসেছে। ইসরোর উপগ্রহের তোলা দুর্যোগের আগে এবং পরের হাই রেজোলিউশন ছবি আঁতকে ওঠার মতো। সেদিন গভীর রাতে একসঙ্গে প্রায় ৮৬ হাজার বর্গ মিটার এলাকায় ধস নেমেছিল। গোটা এলাকা ভূমিধসে পাহাড় ভেঙে নেমে আসে ইরুভাইফুঝা নদীতে। ধসের মাটি, রাস্তা, ঘর-বাড়ি জলস্রোতে ভেসে যায় প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে। উপগ্রহচিত্র থেকে জানা গিয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ হাজার ৫৫০ মিটার উচ্চতায় একই এলাকায় আগেও ধস নেমেছে।








