
একমাস ধরে ছক কষে দুলাল সরকারকে খুন কর। হয়। ২ মাস ধরে মাজদাতেই ঘাঁটি গেড়ে ছিল সুপারি কিলাররা।
শুধু তাই নয় এদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন দুলাজ সরকার খুনে অভিযুক্ত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি। এমনটাই খবর। তৃণমূল নেতাকে খুনে ২০ লাখ টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল। ৩০-৪০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল দুষ্কৃতীদের। টাকা ভাগ করে দেওয়ার দায়িহ ছিল রোহন এবং বাবলুর। জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে নরেন্দ্র তিওয়ারি বাড়িতে যাতায়াত ছিল রোহন সহ বাকি অভিযুক্তদের। এদিকে দুলাল সরকার খুনে অভিযুক্ত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকেও দিনের পুলিশ হেফাজত শেষ হওয়ার পর আদালতে তোলা হয়েছিল। ফের তাদের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। আদালতে সওয়াল জবাবে হাজির ছিলেন দুলাল সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরবণর। এদিকে তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুলাল সরকারকে খুনে ব্যবহৃত একটি নাইন এমএম পিস্তল, দুটি ওয়ান শাটার পিস্তল উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি ২ জানুয়ারি যে পোশাক পরে দুলাল সরকারকে খুন করতে এসেছিল দুষ্কৃতীরা সেগুলোও মিলেছে। মালদহের ইংরেজবাজার পুরসত্তার তৃণমূল কাউন্সিলর খুনে এখন পর্যন্ত টিঙ্কু ঘোষ, শামি আগতার, অভিজিৎ ঘোষ সহ আরও ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদেরকেই জিজ্ঞাসাবাদে খুনে ব্যবহৃত পিস্তল উদ্ধার হয়। অগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও ৭টি বার্তুজ মিলেছে। এছাড়াও অভিযুক্ত অমিত রজকের থেকে মেলা একটি মোবাইল ফোনও পরীক্ষা করা হচ্ছে।।
দুষ্কৃতীরা যে জামাকাপড়, জুতো পরেছিলেন সেগুলোও মিলেছে। ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজারের ঝলঝলিয়ার কাছে নিজের প্লাইউড কারখানার সামনে খুন হন দুলাল সরকার








