
নিজের বাড়ি থেকে এক্সেল সিট সরিয়ে রেখেছিলেন আত্মীয়র বাড়িতে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না।
পরের পর এক্সেল শিটে তাঁর আয়-ব্যয়ের হিসেবে ঠাসা ল্যাপটপটি উদ্ধার করেছেন ইডির গোয়েন্দারা।আগেও উঠেছিল দুর্নীতির অভিযোগ।এটাই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মহা অস্ত্র বলে মনে করছেন ইডি। এক্সেল সিটে লেনদেন কারীদের নাম,ঠিকানা ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ধরে ধরে মোবাইল ফোন নম্বর এমনকি প্যান কার্ড ডিটেইলস রয়েছে। আগেও উঠেছিল দুর্নীতির অভিযোগ। কিন্তু প্রভাবশালী হওয়ায় তা ঢোপে টেকেনি।আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের চারতলার সেমিনার রুম থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ছাত্রীর মৃত্যুর পর সামনে আসে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সি এই মামলার তদন্তভাব নেওয়ার পরেই সন্দীপ ঘোষকে কয়েক দফায় দফতরে ডেকে ডিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তল্লাশি চালানো হয় তাঁর বাড়িতে। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।পরবর্তীতে নথির খোঁজে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি, এমনকী শ্যালিকার বাড়িতেও দফায় দফায় তল্লাশি হয়। তল্লাশি চালানো হয় ক্যানিংয়ে তাঁর বাগানবাড়িতেও। অবশেষে উদ্ধার হয়েছে সন্দীপ ঘোষের একটি ল্যাপটপ।








