
আরজি কর আন্দোলনের আবহেই ৪৩ জন চিকিৎসককে বদলির নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতর।
এ সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হচ্ছে সরকারি বিধি মেনে সেই বিজ্ঞপ্তিতে ,রাজ্যপালের ইচ্ছায় দায়িত্ব দেওয়ার বার্তা রয়েছে। এদিকে বিজেপির অভিযোগ, ওই চিকিৎসকেরা আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন।সে কারণেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই পদক্ষেপ। অন্য দিকে, রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন,এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তাই তাঁর কিছুই বলার নেই। এরপরেই পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসক বদলি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুণেওয়ালা। তিনি বলেছেন,আজ যদি হিটলার, স্তালিন, ইন্দিরা গান্ধী, কিম জং ইলের মতো স্বৈরাচারীরা থাকতেন তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাহবা দিতেন। যে চিকিৎসকেরা আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে হাসপাতালে মহিলাদের নিরাপত্তার দাবি তুলেছিলেন, তাঁদেরকেই বদলি করে দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, চিকিৎসক সংগঠন ইউনাইটেড ডক্টর্স ফ্রন্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর তরফে বদলির প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।এক্স পোস্টে বিবৃতিতে বলা হয়েছে,পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল তাঁদের প্রতিবাদ সমর্থনকারী সদস্যদের অন্যায় ভাবে বদলি করেছেন। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ কিন্তু ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার জন্য তাঁদের দাবি স্তব্ধ করতে পারবে না। তাঁরা তাঁদের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।অন্যদিকে,অ্যাসোসিয়েশন অফ হেল্থ সার্ভিস ডক্টর্স-এর সাধারণ সম্পাদক উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এখন সব ডাক্তারই এই ঘটনার প্রতিবাদে নেমেছেন। তার মধ্যে কেউ কেউ বেশি সক্রিয়। তাঁদের প্রোমোশন আটকে আছে। এই রকম পরিস্থিতি চলছে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। তার মধ্যে তাঁদের বদলির নির্দেশ কেন?








