
এবার আর বুথে ওয়েব কাস্টিং-র কোনও কারচুপি হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল।
তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে বিবেচনাধীন ৬০ লক্ষের মধ্যে ২০ লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। ৭০৫ জন বিচারপতি কাজ করছেন। কমিশন জানিয়েছে, তারা চাইছে দ্রুত বাকি ভোটারদের তথ্যের নিষ্পত্তি হোক। সিইও জানিয়েছেন, অনেক বছর পরে দু’দফায় ভোট হল। ১৯৯৬ সালে শেষবার দু’দফায় বিধানসভা ভোট হয়েছিল। ভোটার ইনফরমেশন স্লিপে কিউআর কোড থাকবে। এর আগে রাজনৈতিক দল ওই স্লিপ দিত। এ বার বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসবেন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বুথের ভিতরে কোনও রকম অনিয়ম হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সেক্টর অফিসে জানাবে। ওয়েব কাস্টিং হবে ৩৬০ ডিগ্রি। ওয়েব কাস্টিংয়ে তিন জায়গা থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। বুথের ভিতরে দীর্ঘ ক্ষণ কোনও সমস্যা থাকলে পুনরায় ভোট করানো হবে। মহকুমাশাসক স্তরের নীচে এলাকায় কোনও গণনা হবে না। প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রোনের মাধ্যমেও নজর রাখা হবে। সোমবার সিইও অফিসে হওয়া সেই বৈঠকে ভোটার তালিকা, বিশেষ করে এসআইআরের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা ঘিরে প্রশ্ন তুলেছে একাধিক রাজনৈতিক দল। শশী পাঁজার বক্তব্য, কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে প্রায় ১৯ লক্ষ নামের বিষয়ে নাকি নিষ্পত্তি হয়েছে। সেই তালিকা এই সপ্তাহের শেষের দিকে প্রকাশিত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের তরফ থেকেও একই ইস্যুতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম ঝুলে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।
সিপিএমের প্রতিনিধি পলাশ দাসও বৈঠকে একই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষকে বিচারাধীন অবস্থায় রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।








