
উষ্ণতার পারদের সঙ্গে শহর কলকাতায় জলের চাহিদাও এক ধাক্কায় বেড়ে যাওয়ায় যে পরিমাণ জল প্রয়োজন হচ্ছে তা সরবরাহ করে উঠতে পারছে না পুরসভা। সেইসঙ্গে জলের অপচয়ের কারণে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
এই অবস্থায় পুরসভার বক্তব্য,কলকাতায় দৈনিক মাথাপিছু ১৫০ লিটার জলে কাজ চলত শহরবাসীর।কিন্তু প্রবল গরমে সেই চাহিদা বেড়ে তিনগুণের বেশি হয়েছে। প্রবল দাবদাহে মানুষ যেমন জল বেশি পান করছেন, তেমনি গরমে দিনে দুই থেকে তিন বার স্নান করছেন অনেকেই। তাতেই জলের চাহিদা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় যে পরিমাণ জল প্রয়োজন হচ্ছে তা সরবরাহ করে উঠতে পারছে না পুরসভা।শহরের একাধিক বাড়িতে জলের কল খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। যেখান থেকে দিনভর চুইয়ে চুইয়ে জল পড়ছে। এমন জল সংকটে সেই সমস্ত বাড়ির বাসিন্দাদের দ্রুত কল ঠিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার তরফে। অকারণে কল খুলে জল অপচয় করতে বারণ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে জলের ট্যাঙ্ক ভর্তি হয়ে গেলে যাতে জল কোনও সময় উপচে পড়ে না যায় সেই বিষয়টিও শহরের বাসিন্দাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলা হচ্ছে।সঙ্গে পরিশ্রুত পানীয় জল দিয়ে গাড়ি ধোয়া গ্রীষ্মকালে বন্ধ রাখতে অনুরোধ করা হচ্ছে শহরবাসীকে। এই সমস্ত বিষয়গুলি এক সঙ্গে করা গেলে জল সংকট খানিকটা মিটতে পারে বলে মনে করছেন পুরসভার আধিকারিকেরা।উল্টোদিকে গরমের দাপট বাড়তেই ক্রমশ নামছে গঙ্গার জলস্তর। অন্যদিকে কলকাতাবাসীর জন্য রোজ প্রায় ৫১৫০ লক্ষ গ্যালন পরিস্রুত জল উৎপাদন করে পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ।যার পুরোটাই হুগলি নদী বা,গঙ্গা থেকে তোলা হয়। কিন্তু জলস্তর নেমে যাওয়ায় পরিস্রুত জল উৎপাদন করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
