
মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে জেলায় জেলায় কমিটি থাকা সত্ত্বেও কিভাবে এই বেআইনিভাবে কারখানা চলছিল তার রিপোর্ট চেয়েছে মুখ্যসচিবের দফতর।
বিশেষত কল্যাণীর ঘটনায় দমকলের তরফে কোনও স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও স্রেফ পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে এরকম একটা ব্যবসা চলছিল কিভাবে তাও জানতে চেয়েছে নবান্ন। এদিকে নবান্নের রিপোর্ট চাওয়ার দিনেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। যদিও পরে বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার দাবি করেছেন প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই বেশি। অভিযোগ করেছেন প্রশাসন এবং তৃণমূল নেতাদের মদতে বেআইনিভাবে বাজি কারখানা চলছিল।
যার বলি হতে হল সাধারণ মানুষকে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে বিস্ফোরণ স্থলে গিয়ে তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।




