
কিসের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্তকে। রাজ্যের জবাব তলব করেছে হাইকোর্ট।
জুনিয়র ডাক্তারদের ধনমিঞ্চে হামলার চক্রান্তের অভিযোগে ফোন রেকর্ডিংয়ের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে সিপিএম নেতা কলকাতা দাশগুপ্তকে। এই ঘটনায় রাজ্যকে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ প্রশ্ন করেছেন কেউ যদি তাঁকে ফোন করেন এবং তিনি ফোন ধরেন, তাহলে যিনি ফোন করেছেন তিনি তাঁর যা ইচ্ছে বলতে পারেন। তার ওপর তো কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে না। তাহলে তো এখন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন এলে ধরা যাবে না। রাজ্যকে প্রশ্ন করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। কলতান দাশগুপ্তর আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য সওয়ালে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকদের আন্দোলনের মধ্যে শাসকদলের এক নেতা একটি অডিও রেকর্ডিং সামনে এনেছেন। গন্ডগোল করার পরিকল্পনার অভিযোগে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর করে। কার কাছ থেকে পেনড্রাইভ সংগ্রহ করা হয়েছে তার কোনও উল্লেখ নেই। কণ্ঠস্বরের পরীক্ষা না করেই কীভাবে গ্রেফতার করা যায় তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। যদিও আদালতে রাজ্য জানিয়েছে আরেক অভিযুক্ত সঞ্জীব দাস জেরায় কলতান দাশগুপ্তর নাম বলেছেন। তাঁর বয়ানের ভিত্তিতেই কলতান দাশগুপ্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে রিপোর্ট বেশ করবে রাজ্য।








