
কৃষ্ণনগরের নির্যাতিতাকে ধর্ষণের পর জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। এমনটাই জানিয়েছেন কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সৌম্যজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে তিনি এও নির্দিষ্ট করে বলেছেন, নির্যাতিতা ছাত্রীকে অ্যাসিড পোড়ানো হয়নি। সেক্ষত্রে অন্য কোনও জাতীয় কেমিক্যাল ব্যবহার করা হতে পারে।
কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে নির্যাতিতা’র দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, আগুনে পুড়ে গিয়েছে।আগুনে পোড়া থাকলে শরীর থেকে অনেক রকমের ফ্লুইড এমনিতেই বের হয়। তাঁর আরও কিছু কেমিক্যাল টেস্ট বাকি রয়েছে, সেগুলো করতে সময় লাগবে। রিপোর্টের কিছু নমুনা পরীক্ষার জন্য় বাইরে পাঠানো হচ্ছে। তবে নির্যাতিতার পরিবারে প্রথম থেকে গণধর্ষণের অভিযোগ তুলছিল। পুলিশি তদন্তে আস্থা রাখতে পারছেন না নির্যাতিতার মা। ইতিমধ্যেই সিবিআই চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতার মা।
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব








