
গলা টিপে নাবালিকাকে খুনের চেষ্টা করেছিলেন তাঁর লিভ ইন পার্টনার। রিজেন্ট পার্কের খাল থেকে নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের ঘটনায় অবশেষে রহস্যের কিনারা করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার করা হয়েছে নাবালিকার প্রেমিকের বন্ধুকে। রিজেন্ট পার্কের শান্তিনগর এলাকার খাল থেকে কদিন আগে নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তে জানা যায় জীবন্ত অবস্থাতেই নাবালিকাকে বস্তায় ভরে জলে ফেলা হয়েছিল। জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরে পুলিশ জানতে পারে নাবালিকা সরশুনার বাসিন্দা। নাবালিকার হাতে মুবারক লেখা ট্যাটু ছিল। পেশায় ক্যাব চালক রাহুল মুবারক নামে এক যুবকের সঙ্গেই লিভ ইনে ছিল ওই নাবালিকা। নাবালিকা মাদকসেবন করত। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ঘটনার দিন নাবালিকার সঙ্গে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে নাবালিকার ঝগড়া হয়। তারপর নাবালিকা মাদক সেবন করে। অভিযোগ রাহুল এরপর গাড়িতে তুলে তার গলা টিপে ধরে। এরপর প্রেমিকার মৃত্যু হয়েছে ভেবে তাঁকে একটি কারখানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর একটি নাবালক বন্ধুর সাহায্যে বস্তায় ভরে সেলাই করে দেয়। এরপরেই রিজেন্ট পার্কের খালে ফেলে দেয়। পুলিশ বন্ধুটিকে গ্রেফতার করলেও খোঁজ নেই মুবারকের। এদিকে বার কর্মী তিলজলার সেই তরুণী আত্মহত্যা করেছিলেন। এমনটাই বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। বুধবার তিলজলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল ২৫ বছরের তরুণীর দেহ। তিনি ওই ফ্ল্যাটে এক যুবকের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে গোঁজ নেই সেই লিভ ইন পার্টনারের।
