
গ্রেট নিকোবরে বৃষ্টিঅরণ্যের ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকার লক্ষ লক্ষ গাছকে কেটে ফেলার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ করে মোদি সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন রাহুল গান্ধী।
এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, সরকার তাদের এই কর্মকাণ্ডকে একটি প্রকল্প হিসেবে অভিহিত করছে। কিন্তু, তা কোনও প্রকল্প নয়। তা হল কুঠারের আঘাতে বলি হওয়ার অপেক্ষায় থাকা লক্ষ লক্ষ বৃক্ষ। ১৬০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এক বৃষ্টিঅরণ্য, যার উপরে নেমে এসেছে ধ্বংসের চূড়ান্ত রায়। উপেক্ষা করা হয়েছে স্থানীয় জনজাতিকেও। তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাদেরই বসত ভিটা। উল্লেখ্য সম্প্রতি গ্রেট নিকোবরে গিয়েছিলেন রাহুল। আর তখনই তিনি সেখানে ওই বৃষ্টি অরণ্য পরিদর্শনে যান। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি একে আমাদের জীবদ্দশায় এদেশের প্রাকৃতিক ও আদিবাসী ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যতম বৃহৎ জালিয়াতি এবং সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন। রাহুল গান্ধী জানাচ্ছেন, ওই বৃক্ষগুলি এতই প্রাচীন, মানবস্মৃতির চেয়েও পুরনো।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই অরণ্যের পরিচর্যা করেছেন এখানকার সুন্দর মানুষেরা। কিন্তু তাঁদের সেই অধিকার লুট করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল এই প্রকল্পে সবুজ সংকেত দিয়েছে। যার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ও লজিস্টিক হাব গড়ে তোলার এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধীও। তিনি ওই অঞ্চলের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এবার এই একই বিষয়ে সরব হলেন রাহুল গান্ধীও।








