
পুরশুড়া, খানাকুল, ঘাটাল বুধবার সকাল থেকে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘাটালে হাঁটুজলে নেমে বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি প্রশাসনিক আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
কথা বলেছেন পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার এবং জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরির সঙ্গে। বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ ঠিকমত পৌঁছেছে কিনা খোঁজ নিয়েছেন তিনি।বুধবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরেই থাকবেন। কাঁসাই নদীর বাঁধ ভেঙে দাসপুর, ডেবরার মত অঞ্চলে পরিস্থিতি ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। রাত থেকে জল ঢুকেছে গ্রামগুলিতে। দাসপুরে দোতলা বাড়ি জলে তলিয়ে যেতে বসেছে। কেশপুরে মৃত্যু হয়েছে ১০ বছরের শিশুর। ডেবরার বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন জলের তলায়। বুধবার হাওড়া এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। হুগলি থেকে মেদিনীপুরে যান তিনি। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর পশ্চিম মেদিনীপুরে এই মুহূর্তে ৪৪টি ত্রাণ শিবির চলছে। তার সংখ্যা আরও বাড়বে। প্রায় ১০ হাজার ত্রিপল ইতিমধ্যেই বিলি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া জামাকাপড়। ডিভিসির ছাড়া জল, বাঁধ ভেঙে বন্যা পরিস্থিতি আরামবাগ মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভয়াবহ অবস্থা খানাকুলে। সেখানকার ১১টি পঞ্চায়েত এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। উদ্ধারকাজে রাজ্য প্রশাসনের পাশাপাশি যোগ দিয়েছে এনডিআরএফ।








