
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে প্রথমবার ইউক্রেন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত কয়েকদিন ধরে জল্পনা ছড়াচ্ছে এই নিয়ে,এবার মোদির সফর নিয়ে মুখ খুলল বিদেশমন্ত্রক।
মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন,পরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সফর নিয়ে সরকারি ঘোষণা করা হবে। এদিকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন চলতি মাসেই ইউক্রেন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে কতদিনের জন্য বিদেশ সফরে যাবেন মোদি, সেখানে কী কী কর্মসূচি থাকবে সেই নিয়ে পরে বিশদে জানানো হবে মন্ত্রকের তরফে। সূত্রের খবর, ২১ থেকে ২৩ আগস্ট ইউক্রেন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।উল্লেখ্য গত মাসে রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন মোদি। সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের তীব্র নিন্দা করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাশিয়া সফর শেষ হওয়ার পরেই খবর ছড়ায়, এবার ইউক্রেন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইতি টানার প্রক্রিয়া নিয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা হতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। পাশাপাশি, দ্রুত যুদ্ধবিরতির জন্য কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যে দূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারেন মোদি, এমন সম্ভাবনাও রয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে,জুন মাসে ইটালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরস্পরকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় দুই রাষ্ট্রপ্রধানকে। বিশ্লেষকদের মতে, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং জেলেনস্কির মধ্যে সেতুর কাজ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কারণ, আমেরিকা এবং পশ্চিমের শান্তি আলোচনাগুলোতে মস্কো আমন্ত্রিত ছিল না। থাকলেও পুতিন তা মেনে নিতেন না। ফলে, দৌত্যের জন্য স্বাভাবিকভাবেই দিল্লি মস্কোর পছন্দ। কিয়েভের সে কথা অজানা নয়।
