
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনা ঘটেছে ট্রেন পরিচালন ব্যবস্থার গলদে, চালকের ভুলে ঘটেছে দুর্ঘটনা, রেলের এই তত্ত্ব খারিজ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির রিপোর্টে। ট্রেন চালকদের যা নথি দেওয়া হয়েছিল, তা যথেষ্ট ছিল না, জানা গিয়েছে রিপোর্টে।
ওই সেকশনে ট্রেন চালানোর জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়নি চালকদের, প্রকাশ রিপোর্টে। ওয়াকি টকির মতো গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইসও ছিল না, উল্লেখ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির রিপোর্টে। ওই সেকশনে ট্রেনের স্পিড লিমিট নির্দিষ্ট করা বলা ছিল না, রিপোর্টে প্রকাশ। দুর্ঘটনার পরেই রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, মালগাড়ি চালকের ভুলে ঘটেছে দুর্ঘটনা। ঘটনায় এক যাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে মালগাড়ির দুই চালকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে রেল পুলিশের বিশেষ দল।ঘটনাটিতে রাঙাপানির স্টেশন মাস্টারকে সাসপেন্ডও করা হয়। তার আগে আরও তিনজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। ১৭ জুন কাটিহার ডিভিশনের রাঙাপানি স্টেশনের মাঝে দাঁড়িয়েছিল ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। ওই সময় পিছন থেকে ধাক্কা দেয় দ্রুত গতির একটি মালগাড়ি। উত্তরবঙ্গের সেই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় মালগাড়ির চালক, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ড সহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ৫০ জন।








