
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে নতুন করে উত্তাল হয়েছে বাংলাদেশ।আন্দোলনকারীদের যৌথমঞ্চ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর ডাকে রবিবার থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন।উল্লেখ্য আন্দোলনের নয় দফা দাবি এখন নেমে এসেছে এক দফায়,হাসিনা সরকারের পদত্যাগ।
এর আগে শনিবারই ঢাকায় শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। এছাড়াও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ তুলে ধরেছেন আন্দোলনের আর এক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। শহিদ মিনারে হাজার হাজার ছাত্র জনতার সমাবেশে ডাক দেওয়া হয়েছে অসহযোগের। এমন পরিস্থিতির মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সরকারের বর্তমান মেয়াদে এটিই জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ এই নীতি-নির্ধারণী কর্তৃপক্ষের প্রথম বৈঠক। এর আগে ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের প্রায় দেড় মাস আগে ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর এই কমিটি বৈঠকে বসেছিল।স্বরাষ্ট্র, তথ্য, আইন, অর্থ, পররাষ্ট্র, পরিকল্পনা, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রীসহ ২৭ সদস্যের কমিটির সব সদস্য; মন্ত্রিপরিষদ সচিব; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব; এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।ওদিকে অসহযোগ আন্দোলনে শাহবাগে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে থাকা ৫০ টিরও বেশি গাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়।আন্দোলনকারীদের অভিযোগ,ভেতরে থাকা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই আগুন দিয়েছেন।উল্লেখ্য সে সময় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শাহবাগে অবস্থান করছিলেন।
