
তীব্র দাবদাহের মধ্যেই প্রচার-জনসংযোগ, মনোনয়নে ব্যস্ত শাসক-বিরোধী সবপক্ষ। সোমবার পরনে বাসন্তী রঙের পাঞ্জাবি আর হলুদ পাড়ের সাদা ধুতি। হাতে গীতা।
গলায় উত্তরীয়, কপালে গেরুয়া তিলক। এই বেশেই বাঁকুড়ার জেলাশাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এদিকে হাওড়া কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় তার মনোনয়নপত্র জেলাশাসকের কাছে জমা দেন। এদিন উলুবেরিয়া লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আজাহার মল্লিক মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে ঢোল-বাজনা সহযোগে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মিতালী বাগ হুগলি সদর মহকুমা শাসক কার্যালয়ে তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।এদিকে নৈহাটির বড়মার মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক। এদিকে, সোমবার মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাধে। বিজেপি প্রার্থীর জন্য নির্দিষ্ট পথে না যাওয়ায় বাধা দেয় পুলিশ। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধে বিজেপি প্রার্থীর। বচসার জেরে গাড়ি থেকে নেমে বেশ কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেন অর্জুন সিং। এদিকে সপ্তাহের শুরুতে চড়ছে গোটা রাজ্যের পারদ। পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শাসক-বিরোধী সবদলের ভোটপ্রচারও। সোমবার গার্ডেনরিচ বিচালি ঘাট সংলগ্ন এলাকায় পায়ে হেঁটে প্রচার সেরেছেন দক্ষিণ কলকাতার সিপিএম প্রার্থী সায়রা শা হালিম। এদিকে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কবীর শঙ্কর বোসের সমর্থনে রোড শো-র মধ্যে দিয়ে প্রচার করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজন লাল শর্মা। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিল বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে প্রাতঃ ভ্রমণ কারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে জনসংযোগ সেরেছেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে জনসংযোগ ও প্রচার সেরেছেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। একইসঙ্গে প্রচারে থাকাকালীনই গাছ লাগিয়েছেন তিনি। সোমবার আসানসোলের বারাবনিতে নির্বাচনী প্রচারে একটি রোড শো করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা ।
