
জামাল সর্দার শুধু অত্যাচারী নন, বড় প্রতারকও। সোনারপুরের জামালের আরও কীর্তি সামনে আসছে। মামলা মোকদ্দমা মেটানোর নামে টাকা হাতিয়ে নিতেন।
হাইকোর্টে মামলা মেটানোর নামে এক শিক্ষকের থেকে ৬৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামালের বিরুদ্ধে। এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। সোনারপুরের পাশাপাশি হেয়ার স্ট্রিট অভিযোগ দায়ের হয়। এদিকে জামালের সুইমিং পুলে কচ্ছপ উদ্ধার করতে গিয়ে বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে বন দফতরের কর্মীদের। জামালের বাড়ির গেটে কলিং বেল বাজিয়েও মেলেনি সাড়া। বাধ্য হয়ে বনকর্মীদের খালি হাতে ফিরতে হয় বনকর্মীদের। বাড়িতে কচ্ছপ রাখায় বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে সাদ্দামের বিরুদ্ধে।
