
প্ল্যাকার্ড হাতে এই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল ও জমায়েতে অংশগ্রহণ করেছিলেন সেখানকার তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় সহ সেখানকার অধ্যাপক এবং অন্যান্য পেশার বঙ্গসন্তানরা। জানা গিয়েছে, নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, ডিউক ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ ক্যারোলিনা অ্যাট চ্যাপেল হিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। সকলের একটাই দাবি, আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়ার নৃশংস ধর্ষণ ও খুনের সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই। অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ পুলিশ-প্রশাসনের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে তীব্র নিন্দা করেছেন পড়ুয়ারা। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও ছড়িয়ে প্রতিবাদের আগুন। রাজ্যের মতো রাত দখলের লড়াইয়ে পথে নেমেছেন ঢাকার মহিলারা। মশাল হাতে নিয়োর জি কর ঘটনার বিচার চেয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, মেয়েদের রাতদখল এবার পৌঁছে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়াতেও। ধর্ষণ-খুনের বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন মেলবোর্ন মেয়েরাও। জানা গিয়েছে, মেলবোর্নের ফেডারেশন স্কোয়ারে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবাদের ঝড় পৌঁছে গিয়েছে আমেরিকা ও ব্রিটেনেও। জানা গিয়েছেন, নিউ ইয়র্ক, কুইন্সে প্রবাসী ভারতীয়রা দাবি তুলেছেন আর জি করের চিকিৎসকের ন্যায্য বিচারের। বিখ্যাত টাইম স্কোয়ারে বহু মানুষের ভিড় উপচে পড়ছিল। ইংরেজি এমনকি বাংলায় লেখা একাধিক পোস্টার নিয়ে প্রবাসী ভারতীয়রা হাজির হয়েছিলেন। পোস্টারে লেখা ছিল, ইকুয়্যাল রাইটস, ইকুয়্যাল সেফটি। উই ওয়ান্ট জাস্টিস। নিউ ইয়র্ক কালী মন্দির কমিটি, নিউ ইয়র্ক পুজো অ্যাসোসিয়েশন আর ইস্ট কোস্ট কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন মিলিতভাবে এই প্রতিবাদ সভা করেছে।
