
প্রয়াত হয়েছেন চন্দননগরের প্রথিতযশা আলোকশিল্পী বাবু পাল। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থতায় ভুগছিলেন প্রবীণ এই আলোকশিল্পী।
মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে চন্দননগর জুড়ে। বুধবার সকাল বেলায় শিল্পীর মরদেহ তাঁর চন্দননগরে বাসভবনে আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অগণিত মানুষ-সহ তাঁর কর্মচারীরা। বস্তুত, রাজ্য তথা ভারত ও বিদেশেও চন্দননগরের আলোকসজ্জার পরম্পরা বাবু পালের হাত ধরে অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছিল। সারা পৃথিবীর বুকে চন্দননগরের শ্রীধর দাসের পর বাবু পালই ছিল অন্যতম কারিগর। বর্তমানে চন্দননগরের বহু বিশিষ্ট শিল্পীর হাত ধরে চন্দননগর আলোক শিল্পকলার নাম ছড়িয়ে পড়লেও আজ বাবু পালে-র চলে যাওয়াটা অনেক বড় ক্ষতি বলে মনে করেন চন্দননগরের আলোক শিল্পীরা।
