
জুনিয়র ডাক্তারদের আমরণ অনশন কর্মসূচিতে পাশে দাঁড়িয়েছেন সিনিয়র ডাক্তারেরাও। সোমবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে বসেছেন প্রায় জনা দশেক সিনিয়র ডাক্তাররা।
জুনিয়রদের আন্দোলনের প্রতি সংহতির বার্তা দিতেই এই প্রতীকী অনশন তাঁদের। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিগুলি যাতে সরকার পক্ষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে, সেই আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিগুলি মানলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতি হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। বর্তমানে সাত জন জুনিয়র ডাক্তার আমরণ অনশন চালাচ্ছেন ধর্মতলায়। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পিডিটি অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, তনয়া পাঁজা এবং ক্যানসার বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট স্নিগ্ধা হাজরা বসেছেন অনশনে। এ ছাড়াও এসএসকেএমের পিডিটি অর্ণব মুখোপাধ্যায়, এনআরএসের পিজিটি পুলস্ত্য আচার্য, কেপিসি হাসপাতালের প্যাথোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা এবং আরজি করের অ্যানাস্থেসিয়া বিভাগের পিজিটি তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া অনিকেত মাহাতো। আর জি কর-এর নির্যাতিতার বিচার, হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ১০ দফা দাবিতে শনিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়েছে আমরণ অনশন। রবিবার ব্যক্তিগত ভাবে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে শামিল হয়েছিলেন তিন জন সিনিয়র চিকিৎসক। দু’জন ছিলেন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তার এবং একজন ছিলেন কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের। পাশাপাশি নাগরিক মঞ্চের এক প্রতিনিধিও রবিবার বসেছিলেন ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে।








