
৫ মাস বাদে জেল থেকে বেরতেই মালা দিয়ে বরণ করা হল ভাঙড়ের তাজা নেতা আরাবুল ইসলামকে। আইএসএফ কর্মী খুনের মামলায় ৫ মাস পর মঙ্গলবার জামিন পান আরাবুল।
আর বুধবার জেল থেকে বেরিয়ে আরাবুলের হুঙ্কার কেউ ভাঙড় কেড়ে নিতে পারবে না। যার বিরুদ্ধে দলের বিধায়ক সওকত মোল্লা অভিযোগ করেছিলেন খুনের জন্য ১৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। এদিকে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার দিনই ভাঙড়ের পঞ্চায়েত সমিতিতে আরাবুলের ঘর দখল করেছেন তাঁরই দলের নেতারা। ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আরাবুল ইসলাম। পঞ্চায়েত সমিতির তাঁর ঘরের বাইরে নেমপ্লেট সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ঘরেই বসেছেন সওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভানেত্রী সোনালি বাছার ও যুব তৃণমল নেতা খাইরুল ইসলাম। এদিকে আইএসএফ বিধায়ক প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর দলের কর্মীকে খুনের মামলায় আরাবুল ইসলাম গ্রেফতার হলে সওকত মোল্লা নয় কেন।
