
কেউ এসেছিলেন চিকিৎসার জন্য। কেউ বা আবার এসেছিলেন আত্মীয়র বাড়ি।
অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়নি এখনও। তবুও বাংলাদেশের পরিস্থিতি মাতৃভূমে ফিরে যেতে বাধ্য করছে তাঁদের। উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ঘরে ফিরছেন তাঁরা। গিয়ে কী অবস্থায় পড়বেন জানা নেই। তবুও সেখানেই যে ঘরবাড়ি-সন্তান-স্বজনরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। তাই ফিরতে তো হবেই। এ পারে পুজো দিতে এসেছিলেন সুন্দরী সরকার। বিবাহিত তিন মেয়ে থাকেন আশেপাশেই। ঘোজাডাঙা সীমান্তে বসে জানালেন, ঘরবাড়ির অবস্থা কেমন জানেন না। মেয়েরাও আছেন। তাই সব ভয় জয় করেই ঘরে ফিরছেন। তাঁর পাশে বসা অরবিন্দ সরকার বলেছেন, খবর পেয়েছেন ঘরবাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। তাই এ পারে বসে থাকার আর সাহস হচ্ছে না।রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তাল হওয়ার পর বাংলাদেশে বেড়েছে কর্মহীনতা। খারাপ হয়েছে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। জিনিসপত্র অগ্নিমূল্য। তাই ঘরে ফিরছেন একরাশ চিন্তা নিয়ে। এই সেদিনও হাজার হাজার বাংলাদেশের নাগরিক প্রতিদিন ভারতের আসতেন ঘোজাডাঙা সীমান্ত দিয়ে। কেউ আসতেন বেড়াতে, কেউ আবার চিকিৎসার জন্য আসতেন।
সেই সংখ্যাটা প্রায় শূন্য । এখন শুধুই ঘরে ফেরার ভিড়।
