
জনমুখী প্রকল্পের টাকা হাতানোর অভিযোগে কেরলে গ্রেফতার হয়েছিল চোপড়ার বাবর। রাজ্যের ট্যাব কেলেঙ্কারিতে সেই বাবরেরই হাত থাকতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারী অফিসাররা।
৬ বছর আগে ২০১৮-য় কেরলে গ্রেফতারের পর জামিনও পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আর খোঁজ নেই বাবরের। ট্যাব কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ২১জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ফ্রিজ করা হয়েছে ৭৯৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১৪০টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে রাজ্যে ট্যাবচক্রের মাথা চোপড়াই। এরপরেই চোপড়া, ঝাড়গ্রাম, আসানসোল, পূর্ব বর্ধমান, মেদিনীপুরের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাজ্য সরকারের স্কুলগুলোয় ক্লাস ইলেভেন এবং টুয়েলভের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার সুবিধের জন্য তরুণের প্রকল্প চালু করেছিল রাজ্য সরকার। এককালীন ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে। সেই টাকারই এবার প্রতারণা হয়েছে।








