
ট্রলি ব্যাগে দেহ লোপাট হচ্ছে বুঝতেই পাননি ভ্যানচালক, ট্যাক্সি চালকরা। মঙ্গলবার প্রথমে ভ্যান পরে ট্যাক্সি করে পিসিশাশুড়ির দেহ কুমোরটুলি ঘাটে গঙ্গায় ফেলতে গিয়ে ধরা পড়েন মা-মেয়ে।
কিন্তু যে ভ্যানে করে মধ্যমগ্রাম থেকে দোলতলা মোড়ে পর্যন্ত যে ট্রলি ব্যাগে দেহ আনা হলেও, ভ্যানচালককে বুঝতেই পারেননি দেহ পাচার হচ্ছে তাঁর ভ্যানে করে। ট্রলি ব্যাগ ভারী হওয়ায় জিজ্ঞেস করায় মা মেয়ে নাকি তাঁকে জানিয়েছিলেন ব্যাগে কাঁসার বাসন, জামাকাপড় রয়েছে। তাই ব্যাগটা ভারী। মঙ্গলবার গীতশ্রী ভাণ্ডারের মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন তখন এক ব্যক্তিই তাঁকে দুই মহিলার ভাড়ার কথা জানায়। ব্যাগ ভারী হওয়ায় দেড়শো টাকা ভাড়াও চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ভ্যান চ্যালক। শেষে ১৩০ টাকায় দোলতলায় যান দুই মহিলা। এরপর দোলতলা থেকে কুমোরটুলি ঘাটে যাওয়ার জন্য ট্যাক্সিভাড়া করেছিলেন মা-মেয়ে। ৭০০ টাকা চাওয়ায় শেষে ৬০০ টাকায় রফা হয়। এমনটাই জানিয়েছেন ট্যাক্সি চালক। তিনিও বুঝতেই পারেননি তাঁর ট্যাক্সিতে দেহ পাচার হচ্ছে। ওই ট্যাক্সি চালক জানিয়েছেন এয়ারপোর্টের ভাড়া খাটেন। অনেকেরই এমন ভারী লাগেজ থাকে। তাই তাঁর সন্দেহ হয়নি। ট্যাক্সিতেও কথাবার্তা স্বাভাবিক বলছিলেন মা-মেয়ে। রান্না বান্না নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এরপর কুমোরটুলির ঘাটে ৭০০ টাকা দিয়ে নেমে পড়েন। ট্রলি ব্যাগ ভারী থাকায় নামাতে সাহায্য করেছিলেন বলে জানিয়েছেন ট্যাক্সিচালক।
ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছে রবিবার বিকেল ৪ টে থেকে ৫টার মধ্যে বছর ৫৫-র পিসিশাশুড়িকে খুন করা হয়েছিল। এরপর সোমবার সারাদিন বাড়িতেই রাখা ছিল দেহ। গন্ধ ঢাকতে ট্রলি ব্যাগে পারফিউম স্প্রে করা হয়েছিল।





