
দলের অন্দরে অন্তর্বিরোধ নয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে জাস্টিন ট্রুডোর ইস্তফার অন্যতম কারণ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং বেকারত্ব।
শুধু প্রধানমন্ত্রীত্ব নয় কানাডার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অফ কমন্সের দলনেতার পদ থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা করেছেন জাস্টিন ট্রুডো।সম্প্রতি জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বে কানাডার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক অবস্থান উভয়ই উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। কয়েক মাস আগে প্রধান সহযোগীর সমর্থন হারিয়েছেন তিনি। এর ফলে পার্লামেন্টে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়।যদিও ছোট দলগুলোর সমর্থনে তিনি একটি দুর্বল জোট সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ডিসেম্বর মাসে অর্থমন্ত্রী নীতিগত মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। এই ঘটনাগুলো জাস্টিন ট্রুডো সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।অন্যদিকে, জাস্টিন ট্রুডো প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন কানাডার অর্থনীতি উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, জিডিপি এবং বাণিজ্য নীতির দুর্বলতার সম্মুখীন হয়েছে।
এরমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন, যা অর্থনৈতিক অবস্থাকে আরও সংকটময় করে তুলেছে।তবে জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের ঘোষণার পর কানাডার ডলারের মান বৃদ্ধি পেয়েছে।







