
বিজেপির জেলাশাসক দফতর ঘেরাও অভিযান ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত রইল জেলা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্বে কোচবিহারে জেলাশাসকের অফিস অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। পুলিশ সুপারের অফিসে ইটবৃষ্টি শুরু করে বিজেপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ঘটনার জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সাগরদিঘি চত্বর। গ্রেফতার করা হয় নিশীথ প্রামাণিক সহ ২২ জনকে। এদিকে আলিপুরে ডিএম অফিসের সামনে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বাধা দিলে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। একই ছবি শিলিগুড়িতেও। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। অন্যদিকে বহরমপুরে পথে নামেন দিলীপ ঘোষ। দফা এক দাবি এক মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ এই দাবিতেই জেলাশাসকের অফিসের দিকে এগোতেই বাধা দেয় পুলিশ। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। দিলীপ ঘোষ বলেছেন আর জি করের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতেই হবে। অন্যদিকে বর্ধমানে কার্জন গেটের কাছে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙেন বিজেপি কর্মীরা। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। একই পরিস্থিতি আসানসোলেও। আসানসোলের বিএনআর মোড় থেকে মিছিল করে জেলাশাসকের অফিসে যাওয়ার চেষ্টা করলে ব্যারিকেড করে আটকে দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। মালদাতেও মিছিল আটকাতে পুলিশ যে ব্যারিকেড তৈরি করেছিল তা ভাঙতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতির তৈরি। মালদায় জেলাশাসকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন সাংসদ খগেন মুর্মু।
