ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের বিস্তির্ণ জেলা জলমগ্ন  

0
768
ডিভিসির ছাড়া জলে হাওড়ার আমতা ২ নং ব্লকের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জলস্তর আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম সমস্যায় দ্বীপাঞ্চলের ৩৫ হাজার বাসিন্দা।
অন্যদিকে, হুগলির চব্বিশপুরের বলাইচক গ্রামে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আরও ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এই বিষয়ে আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল জানিয়েছেন, দ্বীপাঞ্চলের তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়াও নতুন করে ঝিকিরা, ঝামটিয়া, অমরাগড়ি, কাশমলী গ্রাম পঞ্চায়েত প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও থলিয়া ও বিনোলাকৃষ্ণবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। রাস্তার উপর দিয়ে জল প্রবাহিত হওয়ায় আমতা-ডিহিভুরশুট রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। যেভাবে জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমতা-ঝিকিরা রুটেও কিছুক্ষণ পর যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। প্রশাসন সবদিকে নজর রাখছে। অন্যদিকে শিলাবতীর জল কিছুটা কমলেও প্লাবিত হয়ে গিয়েছে ঘাটাল। যার জেরে চরম সমস্যায় ভুগছেন ঘাটালবাসী। ডিভিসির জল ছাড়ার ফলে দক্ষিণবঙ্গের ১২ জেলার বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। বৃষ্টি, বন্যা, দুর্যোগে বেশ কিছু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছাড়া শুরু হয়েছিল। সময় যত এগিয়েছে, তত জল ছাড়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বুধবার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ কমেছে। বুধবার বিকেল ৫টায় মাইথন জলাধার থেকে ২৫ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত ১ লাখ ৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। তবে দুই জলাধার থেকে গত কয়েক দিন জল ছাড়ার কারণে রাজ্যের একাধিক জেলায় প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের ১০ জেলায় ১০ জন সচিবকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।