
গতবছর ডিসেম্বরে যোগ্য-অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছিল বলে এবার দাবি করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার আদালতের রায় প্রকাশের তিনদিন পর জানিয়েছেন গত বছর ডিসেম্বর মাসের ১৩ তারিখে অযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রায় পাঁচ হাজার জনের একটা তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদালত সেই হলফনামায় সন্তুষ্ট না হওয়ায় ১৮ ডিসেম্বর ফের এসএসসির তরফে ২০১৬-র ব্যাচের যোগ্য এবং অযোগ্য প্রার্থীদের একটি তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু সেই তালিকা আদালত গ্রহণ করেছিল কিনা তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি সিদ্ধার্থ মজুমদার। উল্টে তাঁর দাবি ওএমআর সিট কোনও অবস্থায় এক বছর পর সংরক্ষণ করা এসএসসির দায়িত্ব নয়। উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে ফাঁকা উত্তরপত্র, ওএমআর জমা দিয়েও বহু পরীক্ষার্থী অনেক বেশি নম্বর পেয়েছেন। ঠিক কত জন বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন তাও এসএসসির অসহযোগিতায় চিহ্নিত করা হয়নি বলে বখসে আদালত। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য ছিল শুধু গ্রূপ ডি পদে ৪৮ শতাংশের বেশি অবৈষ বা বেআইনিভাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এমনকি ওএমআর সিট পরীক্ষার ভারপ্রাপ্ত সংস্থা কাউকে না জানিয়ে তৃতীয় কোনও সংস্থাকে কেন পরীক্ষার দায়িত্ব দিয়েছিল। তা নিয়েও মন্তব্য করতে চাননি এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। সুপ্রিম কোর্টে যখন এসএসসির তরফে আবেদন জানানো হয়েছে তখন তার চেয়ারম্যানের প্রশ্ন পাঁচ হাজার জনের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার জন্য ২৬ হাজারের চাকরি যাবে কেন।
