
সেন্ট্রাল ড্রাগ কন্ট্রোলের ১৪৪ টির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের ১৮টি ব্যাচের আরএল এবং অন্য স্যালাইন। কোনও নমুনা স্টেরিলিটি টেস্টে ফেল, কোনও নমুনায় মিলেছে ব্যাকটেরিয়া।
এ রাজ্যে ফেল দুটি বহুজাতিক সংস্থার দুটি বহুল জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের ওষুধ। ফেল হার্টের সমস্যায় ব্যবহৃত টেলমিসারটান, এমোক্সিলিলিন ও পটাশিয়াম ক্ল্যাভিউনেট। পরীক্ষায় ফেল করেছে প্যারাসিটামল, স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। পরীক্ষায় ফেল করেছে বহুল ব্যবহৃত পেনকিলার, অ্যান্টিবায়োটিক। শিশুদের জন্য ব্যবহৃত সর্দি কাশির সিরাপও পরীক্ষায় ফেল করেছে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দুর্নীতির অভিযোগে সরব বয়েছেন। তিনি বলেছেন আসল ঘুঘুর বাসা পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশন। যার মাধ্যমে গজ থেকে ওষুধ কেনা হয়। আগে এখানকার দুর্নীতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করতে হবে। অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেছেন সেন্ট্রাল ড্রাগ কন্ট্রোলে ধরা পড়ে গিয়েছে কিভাবে রাজ্যে জাল ওষুধ ছেয়ে গিয়েছে। যদিও মন্তব্য এড়িয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।
