
ঢোলাহাটে থানায় পিটিয়ে খুনের অভিযোগে মৃত যুবকের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
মামলাকারীর উপস্থিতিতে ময়নাতদন্তের সময় থাকতে হবে একজন জুডিশিযাল ম্যাজিস্ট্রেটকে। শনিবার ময়নাতদন্তের সময় করতে হবে ভিডিওগ্রাফি। ভিসেরার নমুনা ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে হায়দরাবাদে। ঢোলাহাট থানার আইসি এই মামলার তদন্তে অংশ নিতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ঢোলাহাটে থানায় আবু সিদ্দিককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে বিচারপতি সিনহা এজলাসে অভিযোগ করা হয় প্রথমবার ময়নাতদন্তের সময় পরিবারের কাউকে জানানো হয়নি। পাাশাপাশি ময়নাতদন্তে মৃতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন মিলেছেন। তা দেখেই বিচারপতি সিনহা মনে করছেন এই মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সমস্ত নথি, তথ্যপ্রমাণ সুরক্ষিত করতে হবে। পাশাপাশি সুন্দরবনের পুলিশ সুপারকে সমস্ত সাক্ষীদের এবং পরিবারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নির্দেশও দিয়েছেন। যাতে পরিবারের লোকজন হুমকির মুখে না পড়েন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২২ জুলাই। শুক্রবার আদালতে রাজ্য জানায় পুলিশ হেফাজতে যুবকের মৃত্যু হয়নি, কারণ পুলিশ হেফাজতে ওই যুবক ৪ জুলাই মাত্র ৫-৬ ঘণ্টা ছিল। যুবকের মৃত্যু হয় ৮ জুলাই। এর আগে পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয় জামিনের জন্য পৌনে ২ লাখ টাকা নিয়েছিল পুলিশ।









