
দাবি পূরণে জুনিয়র ডাক্তারদের থেকে ৩-৪ মাস সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ধনামঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী যখন এই বার্তা দিচ্ছেন তখন মোবাইল ফোন হাতে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।
ফোনেই অনশন প্রত্যাহার করে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকার সাধ্যমত চেষ্টা করেছে। বেশিরভাগ দাবিই পূরণ করা হয়েছে।
প্রথমে ৫টি দাবির মধ্যে ৪টি দাবিই পূরণ করা হয়েছিল। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যসচিবকে সরাতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়রদের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি মানবিকতার পক্ষে। তিনি বিচারও চান। তবে হাসপাতলে যদি সাধারণ মানুষ পরিষেবা না পান, তবে তাঁরা কোথায় যাবেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালের উন্নয়নে ১১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে, তাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে একসঙ্গে সব মেডিক্যাল কলেজগুলোয় নির্বাচন হবে। শেষে তিনি বলেছেন ডাক্তার তো আর বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না। তাই দয়া করে অনশন প্রত্যাহার করে জুনিয়র ডাক্তারদের যাতে কাজে যোগ দেন, ফের একবার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।







