
৪০ মিনিটের তাণ্ডবে তছনছ আর জি কর। ঘ ছড়িয়ে ছিটিয়ে কাঁচ, জীবনদায়ী ওষুধ, স্যালাইনের বোতল, উল্টে রয়েছে ওষুধ ভর্তি ফ্রিজ, ভেঙে ফেলা হয়েছে ফ্যান, দরজাও।
এমারজেন্সি রুমে যে বেডগুলো রয়েছে তা আর ব্যবহার যোগ্য নেই। এমার্জেন্সি রুমে বেডগুলোর সঙ্গে একাধিক মনিটর, আরও নানা প্রয়োজনীয় যন্ত্র ছিল। তাও ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই যন্ত্রগুলোর দাম লক্ষাধিক টাকারও বেশি। হাসপাতাল সূত্রে খবর ওই রুমে ১ মাসের জন্য এমার্জেন্সি পরিষেবা দিতে যা লাগে সেই মত ওষুধ ও অন্যান্য জিনিসপত্র রাখা থাকে। বেছে বেছে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়েছে। যেখানে যা যন্ত্র পেয়েছে সব ভেঙেছে দুষ্কৃতীরা। তবে বেঁচে গিয়েছে এমআরআই-সিটি স্ক্যানের ঘর। চিকিৎসক নার্সদের অভিযোগ পুরো হামলার সময়ে কার্যত নির্বাক দর্শকের ভূমিকায় ছিল পুলিশ। বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে যখন মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচি চলছিল তখনই একদল দুষ্কৃতী আরজি করের এমার্জেন্সি বিভাগে তাণ্ডব চালায়। হামলাকারীদের হাতে ছিল রড, বাঁশ, হাতুড়ি, ইট। যখন হামলা চলছে তখন লুকিয়ে যায় পুলিশ। এমনটাই অভিযোগ নার্স- চিকিৎসকদের। এরইমধ্যে ট্রমা কেয়ার ফেসিলিটিতে জেনারেল এমার্জেন্সির রোগীদের এনে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আর জি করের অধ্যক্ষ। তাণ্ডবের সময় কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল পুলিশ। এমনটাই অভিযোগ।









