গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

34 C
Kolkata
34 C
Kolkata
More
    Home Newsdesk কুলতলিকাণ্ডে গ্রেফতার আফতাব, ২ জনের পুলিশি হেফাজত 

    কুলতলিকাণ্ডে গ্রেফতার আফতাব, ২ জনের পুলিশি হেফাজত 

    0
    208
    Counterfeit gold fake note cycle Team Saddams cover up in Cultali
    Counterfeit gold fake note cycle Team Saddams cover up in Cultali

    কুলতলি নিয়ে ডিজি-র কড়া বার্তার পরই ফের কুলতলির পয়তারহাটে সাদ্দামের খোঁজে মাঠে নেমেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকায় কোথায় সাদ্দাম তা জানতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।

    প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় টহলও দেয় পুলিশ। বিভিন্ন লোকেশন ট্র্যাক করার চেষ্টাও চলে।অভিযানের সময় দেখা যায় তিন থেকে চার ব্যক্তিকে ধাওয়া করছেন তদন্তকারীরা। একজন তো মেঠো রাস্তা দিয়ে ছুটতে ছুটতে পড়েও যায়। শেষে একেবারে ফিল্মি কায়দায় আফতাব সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে কুলতলিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া সাদ্দাম সরদারের স্ত্রী মাসুদা সরদার এবং সাদ্দাম সরদারের ভাই শহিদুল সর্দারের স্ত্রী রাবেয়া সরদারকে বারুইপুর আদালতের বিচারক ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতে নির্দেশ দিয়েছে।নকল সোনা বিক্রির পাশাপাশি, জাল নোট চক্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল কুলতলির সাদ্দাম সর্দাররা। এমনটাই বলছে পুলিশ।কুলতলির পয়তারহাট গ্রামে বসেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নকল সোনার কারবার চালাচ্ছিল প্রতারক সাদ্দাম সর্দার, তার ভাই সায়রুল-সহ গোটা পরিবার। পাশাপাশি পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে জাল টাকার ব্যবসার আশঙ্কার কথাও। কুলতলিকাণ্ডে আস্তে আস্তে পরতে পরতে খুলছে রহস্যের জাল। একা সাদ্দামের পরিবারই নয়, কুলতলির পয়তারহাট গ্রাম হয়ে উঠেছিল নকল সোনার কারবারিদের মুক্তাঞ্চল। পুলিশ সূত্রে খবর, ত্রিভুজাকৃতি এই গ্যাংয়ের মাথায় ছিল ২ জন। সাদ্দাম, তার ভাই সায়রুল ও তাদের এক পার্টনার অপর একজনকে সামনে রেখে প্রতারণার কারবার চালাত । এরাই টোপ দিয়ে শিকার ধরত। এদের নীচে ছিল আরও ৩ জন। এর নীচেও আরও ১৫-২০ জন ছিল। পুলিশের দাবি, মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গোটা অপারেশন চালাত এই গ্যাং। পয়তারহাট গ্রামে পুলিশি অভিযানের পর গোটা গ্যাং-ই পলাতক।জানা গিয়েছে, বিভিন্ন মূর্তিতে সোনার কোটিং দিয়ে সেটাকেই সোনা বলে চালানো হত।  চড়া দামে বিক্রি করা হত ক্রেতাদের। বিভিন্নভাবে ক্রেতাদের টোপ দিয়ে পয়তারহাট গ্রামে আনা হত। আর এই গোটা গ্রামটাই তো চোরা কারবারিদের ডেরা। একেবারে সর্বস্ব খুইয়েই বের হতে হত। নিজেদের ডেরায় ডেকে এনে মারধর করে টাকা লুঠ করত সাদ্দাম ও তার দলবল। তারপর পালাত সুড়ঙ্গ দিয়ে। খাটের নিচেই তাই কাটা হয়েছিল সুড়ঙ্গ। যাতে লোকচক্ষুর আড়াল দিয়েই বেরিয়ে যাওয়া যায়। গ্রেফতারের পর এই সব তথ্য  স্বীকার করেছেন সাদ্দাম ও সায়রুলের স্ত্রীই।