
গ্যাংস্টার সুবোধ সিংকে হেফাজতে পেয়ে আসানসোল থেকে নজিরবিহীনভাবে গ্রিন করিডর করে ভবানী ভবনে নিয়ে এসেছে সিআইডি। আসানসোল থেকে কলকাতার আনার পথে পুলিশের নিরাপত্তা ছিল জোরদার।
রানিগঞ্জেরে ডাকাতির মামলায় সুবোধকে ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আসানসোলের সিজেএম আদালত। সুবোধের বিরুদ্ধে ডাকাতি, খুনের অভিযোগ, জেল থেকে ফোন করে হুমকি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিটি রোডে মণীশ শুক্লা খুনেও নাম জড়ায় সুবোধের। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সুবোধের বিরুদ্ধে। ক’দিন আগেই বিহারের বেউর জেল থেকে সুবোধকে এরাজ্যে নিয়ে আসে সিআইডির গোয়েন্দারা। এরপরেই বুধবার তাঁকে আসানসোলের আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক ১৭ জুলাই পর্যন্ত সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পাটনার জেলে বসে কিভাবে অপারেশন চালাত সুবোধ। এর পিছনে বড় কোনও মাথা রয়েছে কিনা। হেফাজতে নিয়ে সুবোধের থেকে সেই উত্তরই পেতে চাইছে সিআইডির গোয়েন্দারা।








