
অচলাবস্থা কাটিয়ে সবাই যেন মিলেমিশে কাজ করতে পারে। এমনই বার্তা দিয়েছে পরিচালকরা। তাঁদের কথায়, এই অচলাবস্থা থেকে বেরোতে গেলে সব পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে।
টেকনিশিয়ানদের জন্য উদ্বিগ্ন তাঁরাও। দু’পক্ষকেই ভাবতে হবে। কেন এই অচলাবস্থা। তা মেটাতে হবে। টলিউড ছোট একটা ইন্ডাস্ট্রি। এখানে কোনও পক্ষ নেই। এখানে সবাই এক। ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী বলেন, পরিচালকদের সঙ্গে টেকনিশিয়ানদের যে কোনও সংঘাত আছে সেটা কিন্তু ভুল ধারণা। রাহুলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটা হয়তো তৈরি হয়েছে। এই ধরনের নিয়মের বেড়াজালে ক্রমশ ঘিরে ফেলা হচ্ছে, কাজের পরিসর সঙ্কুচিত হচ্ছে। টালিগঞ্জে কাজের পরিমাণ কমে গিয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ কমেছে। তাঁদের লড়াই টেকিনিশিয়ানদের বিরুদ্ধে নয়। রাজ্য সরকারের কাছে এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় হাতজোড় করে অনুরোধ করলেন, মঙ্গলবার থেকে এই অচলাবস্থা যাতে কেটে যায় এবং শুটিং শুরু হয়, সেটাই চাই। পরিচালকেরাও টেকিনিশিয়ান। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রথমেই জানিয়েছেন, টলিপাড়ায় অন্যতম বড় অভিনেতা ও প্রযোজক দেব এ দিনের বৈঠকে আসতে না পারলেও ঘাটাল থেকে সারা ক্ষণ ভিডিয়ো কলে যোগাযোগ রেখেছেন। অভিনেতা বললেন, ইন্ডাস্ট্রি একটি পরিবারের মতো। সবাই সারা জীবন টেকনিশিয়ানদের জন্য লড়াই করেছেন। এটা মান-সম্মানের লড়াই। একটা পরিবারে অভাব-অভিযোগ থাকবে। তাই বলে পরিবার ভেঙে যায় না।
