
পথনিরাপত্তা নিয়ে ৩০০ শব্দের প্রবন্ধ জমা দিয়েছে পুণের পোর্শেকাণ্ডে অভিযুক্ত কিশোর। এমনটাই জানিয়েছে পুণে পুলিশ। ঘটনাচক্রে, পোর্শেকাণ্ডের পর অভিযুক্তকে এই শর্তেই জামিন দিয়েছিল জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড।
আর জেজেবি-র এই নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক চরমে ওঠে।প্রশ্ন ওঠে কী ভাবে এত গুরুতর অপরাধের পরেও কিশোরকে পথনিরাপত্তা নিয়ে ৩০০ শব্দে প্রবন্ধ লেখার মতো শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হল। ঘটনার পর অভিযুক্ত কিশোরকে জেজেবি-তে হাজির করানো হয়। তখন জেজেবি শর্তসাপেক্ষে কিশোর জামিন দিয়েছিল। সেই শর্ত ছিল, পথনিরাপত্তা নিয়ে ৩০০ শব্দের প্রবন্ধ লিখতে হবে। আর এক সপ্তাহ ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করতে হবে। জেজেবি-র এই শাস্তি নিয়ে হুলস্থুল পড়ে যায়।পুলিশও এই জামিনের বিরোধিতা করে সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন জানায় জেজেবি-র কাছে। দেশজুড়ে এই ঘটনায় ক্রমাগত চাপ বাড়ছিল। তারপর ২২ মে কিশোরকে হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেয় জেজেবি। কিশোরের বয়স বিবেচনা করে সম্প্রতি তাঁকে হোম থেকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বম্বে হাইকোর্ট।১৯ মে পুণের কল্যাণী নগর এলাকায় দুই ইঞ্জিনিয়ারকে পোর্শে চালিয়ে চাপা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কিশোরের বিরুদ্ধে।
