
আলিপুরদুয়ারের জলদাপাড়ায় ঐতিহ্যবাহী হলং বন বাংলো অগ্নিকাণ্ডে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নবান্ন। ঐতিহ্যবাহী হলং বন বাংলোয় অগ্নিকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।
বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে আলিপুরদুয়ারের জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ঐতিহ্যবাহী হলং বন বাংলো। বন দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯ টার দিকে বিধ্বংসী আগুন লাগে হলং বনবাংলোতে। আগুনের লেলিহান শিখা ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মীরা জানান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। এই আগুন থেকেই বাংলোতে থাকা একটি এসিতে বিস্ফোরণ হয়। বনকর্মীদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। তড়িঘড়ি হাসিমারা এবং ফালাকাটায় দমকলকে খবর দেওয়া হয়। জঙ্গলের ভিতরে ১২টি গাড়ি নিয়ে দমকলকর্মীরা ১০টা ১০ মিনিট নাগাদ পৌঁছন। তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। যদিও ভয়াবহ আগুনে কার্যত পুড়ে ছাই হয়ে যায় বিলাসবহুল এই বন বাংলোর ৮টি ঘরই। অন্য আধিকারিকেরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। বর্ষার জন্য ৩ মাস বন্ধ রয়েছে হলং বন বাংলো। ফলে বাংলোয় কোনও পর্যটক ছিলেন না। ১৯৬৭ সালে তৈরি এই বনবাংলোটি রাজ্য বন দফতরের অন্যতম মহার্ঘ সম্পত্তি ছিল। জলদাপাড়ার জঙ্গল ঘেরা বন দফতরের এই সুদৃশ্য বনবাংলোর কদর ছিল রাজ্যের ভিভিআইপি থেকে আমলা বা দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন জ্যোতি বসু নিয়মিত যেতেন ওই বাংলোয়। কয়েক বছর আগে বাংলোটি সংস্কারও করা হয়েছিল।








