পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে নতুন ‘ছোট চাঁদ’

0
127
ছবি সৌজন্যে : প্রতিনিধিত্বমূলক

নতুন গ্রহাণু ‘মিনি-মুন’: পৃথিবীর কক্ষপথে এক অদ্ভুত সফর

দুই মাস আগে, আমাদের আকাশে একটি নতুন⁣ গ্রহাণুর আবির্ভাব ঘটে, যা অনেকের কাছে ‘মিনি-মুন’ নামে পরিচিত। এই গ্রহাণুটি কিছুদিন আমাদের সঙ্গী ​হয়ে ⁢থাকার ⁣পর এখন অদৃশ্য হয়ে গেছে। ⁢এটি একটি আকর্ষণীয় ঘটনা, যা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। আসুন জানি এর ⁢পেছনের গল্প এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে।

গ্রহাণুর পরিচয়⁣ ও আবিষ্কার

২০২৪ পিটি ​ফাইভ নামের এই গ্রহাণুটি মাত্র ১১ মিটার চওড়া এবং এটি প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাটলাস টেলিস্কোপের মাধ্যমে আবিষ্কৃত ⁤হয়। আগস্ট​ মাসে এর সন্ধান পাওয়া যায় এবং সেপ্টেম্বর মাস থেকে এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ​ করতে ​শুরু করে। ⁤তবে নাসা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই⁤ গ্রহাণুটি কখনই পুরোপুরি পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে না।

মিনি-মুনের আচরণ ‍ও সূর্যের প্রভাব

কমপ্লুটেন্স⁣ ইউনিভার্সিটি অফ মাদ্রিদ-এর জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এটির ‘মিনি চাঁদের’ মতো আচরণ শনাক্ত করেন। সূর্যের শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণের⁣ কারণে এটি ⁣ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে⁣ দূরে সরে গেছে এবং বলা হচ্ছে যে, আগামী ২০৫৫ ⁢সালের আগে⁣ আবার দেখা​ যাবে না এই​ গ্রহাণুটিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ​যখন কোনো গ্রহাণু সূর্যের আকর্ষণের তুলনায় পৃথিবীর আকর্ষণে বেশি প্রভাবিত হয় ‍তখন এমন ঘটনা ঘটে থাকে।

ভবিষ্যতের ​সম্ভাবনা ও⁤ অবস্থান

বর্তমানে এই গ্রহাণুটি পৃথিবী ⁣থেকে প্রায় ৩৫ লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এবং এত⁢ ছোট হওয়ায় শক্তিশালী টেলিস্কোপ ছাড়া এটিকে ​দেখা সম্ভব নয়। ​তবে আশা‍ করা হচ্ছে যে, আগামী ⁣তিন দশকের মধ্যে আবারও ⁢এটি আমাদের কক্ষপথে ⁢ফিরে ​আসবে এবং তখন বর্তমান গতির দ্বিগুণ গতিতে চলবে ⁣বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন⁢ যাতে ভবিষ্যতে এর গতিবিধি সম্পর্কে⁢ আরও তথ্য জানা যায়。