
বাংলাদেশের এমপি খুনে অন্যতম ধৃত ফয়জলকে ভিডিও কলে জেরা করেছে কলকাতার সিআইডি। বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান সোমবার যখন সঞ্জীবা গার্ডেনের ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকার বিভিন্ন খালে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে তখনই কলকাতার গোয়েন্দারা ঢাকার পুলিশ হেফাজতে থাকা আরও ৩ জনের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছেন।
জাল পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে এসেছিল বাংলাদেশের সাংসদ খুনের অন্যতম চক্রী আমানুল্লা, দাবি সিআইডি-র। পুলিশ সূত্রে খবর, ঢাকা পুলিশের হাতে ধৃত এই আমানুল্লাই সাংসদকে খুনের জন্য সম্পূর্ণ প্লানের ছক কষেছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, বাংলাদেশের সাংসদের বাল্যবন্ধু মার্কিন নাগরিক আখতারুজ্জামানই খুনের মাষ্টারমাইন্ড। তিনি আমানুল্লাকে নিয়োগ করেছিল খুনের জন্য। সোমবার নিউটাউনের আবাসনের ফ্ল্যাটে যান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান হারুন-উর-রশিদ। সেখানে গিয়ে আমানুল্লার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছেন হারুন-উর-রশিদ। এরপরই অভিযুক্ত কসাই জিহাদকে নিয়ে ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকায় যান বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান। সেখানেও গিয়ে গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। বাংলাদেশের সাংসদকে খুন করে এখানেই দেহ বা দেহাংশ ফেলা হয় বলে অনুমান পুলিশের।
