
রবিবার সকাল থেকেই আবার উত্তপ্ত ঢাকা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগ এলাকায় জড়ো হয়েছেন শ’য়ে শ’য়ে মানুষ। এই পরিস্থিতিতে ফের মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকারি সংস্থা।
আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের এক দফা সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই চত্বরের বেশ কিছু গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। গাজিপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। ঢাকার সিএমএম আদালত চত্বরে পুলিশের একটি ভ্যানও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই চিত্র মুন্সিগঞ্জ এলাকাতেও। সেখানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ২ জন। উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে নতুন করে উত্তাল বাংলাদেশ।আন্দোলনকারীদের যৌথমঞ্চ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর ডাকে রবিবার থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। আন্দোলনের ন’ দফা দাবি এখন নেমে এসেছে এক দফায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ।এর আগে শনিবারই ঢাকায় শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়াও এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেন আন্দোলনের আর এক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। শহিদ মিনারে হাজার হাজার ছাত্র জনতার সমাবেশে ডাক দেওয়া হয় অসহযোগের।ওদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে হিংসার ঘটনায় নিহতদের স্মরণে কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজধানী ঢাকা-সহ বাংলাদেশের নানা এলাকা।শনিবারও কুমিল্লা শহরে কোটা সংস্কারপন্থী পড়ুয়াদের মিছিলে গুলি চলেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তত পাঁচ জন আন্দোলনকারী। সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের হামলায় আহত আরও বহু ছাত্র। অভিযোগ, শাসকদল আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগ এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। ওই ঘটনার পরে কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলা সহকারী কমিশনারের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন মারমুখী আন্দোলনকারীরা।








