
গঙ্গার জল ঢুকে প্লাবিত মালদার একের পর এক গ্রাম। জলের তোড়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে কালভার্ট। ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মুখে মালদার ভুতনি।
ভুতনির কেশরপুর কালুটোলায় ভাঙা বাঁধের অংশ দিয়ে তীব্র বেগে গঙ্গার জল ঢুকে পড়ায় জলবন্দী হয়েছে চারটি গ্রাম। অন্যদিকে মানিকচকের গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ছাড়িয়েছে। প্রশাসনিক অবহেলা এবং সেচ দফতরের গাফিলতির কারণে ১৯৯৮ সালের মত বন্যা পরিস্থিতির মুখে ভূতনি দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। যদিও ইচ্ছাকৃতভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। মানিকচকের উত্তর চণ্ডিপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কেশরপুর কালুটোনটোলা এলাকার তনটি জায়গা দীর্ঘ এক বছর ধরে বাঁধহীন ছিল, কিন্তু বারংবার প্রশাসনকে জানিয়ে এমনকি বিক্ষোভও দেখিয়েছেন বাসিন্দারা। তাদের দাবি ছিল ভাঙা বাঁধের অংশগুলি দ্রুত সংস্কার করা। তাদের আশঙ্কা ছিল গঙ্গা নদীর জল বাড়লেই বন্যা পরিস্থিতি হবে।কিন্তু তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি প্রশাসন।তবে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জরুরী ভিত্তিতে ভাঙা বাঁধের অংশে বালির বস্তার মাধ্যমে কাজ করেছিল সেচ দফতর।কিন্তু প্রতিনিয়ত বৃষ্টি এবং লাগাতার জলস্তর বাড়ার কারণে এদিন বালির বস্তা ভেঙে জল প্রবেশ করে।
