
বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি। এমনটাই দাবি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
সাংবাদিক বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং জন সম্পদ মন্ত্রকের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকারে কোনও আলোচনা হয়নি। অনেকে দাবি তুলতে পারে। জনগণ তাদের দাবি আদায়ের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে। তবে সরকার ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে সংগঠনের অপরাধকে মিলিয়ে ফেলছে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দোষী হতে পারেন বা নাও হতে পারেন। তবে সেটা আদালতের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসকন নতুন একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে,সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ ঐক্যজোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীকে সমর্থন করেন তারা।এর আগে সংগঠনের তরফে বলা হয়েছিল, চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর কোনও কাজের দায় ইসকন নেবে না। কারণ, তিনি ইসকনের কেউ নন। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ইসকনের তরফে নতুন বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছেন, চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীকে তারা সমর্থন করে। আদৌ তাঁর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা হয়নি। বরং তাঁর সম্পর্কে কিছু কথা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বাংলাদেশে চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এরই সঙ্গে ইসকন বাংলাদেশের ১৬ জন সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশ পাঠিয়েছে বিএফআইইউ।








